মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

কল্পতরুর শাস্ত্রীয় ভরতনাট্যম নৃত্য উৎসব ২০১৯

ভারতের শাস্ত্রীয় নৃত্যকলায় বেশ কয়েকটি ধারা রয়েছে, তার মধ্যে ভরতনাট্যম অন্যতম । শাস্ত্রীয় নৃত্যের তিন দিনব্যাপি উৎসব আয়োজন করেছে কল্পতরু। রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে শাস্ত্রীয় নৃত্য পরিবেশন করবেন তিনজন শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী। উৎসব চলবে ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ।

উৎসবের দ্বিতীয়দিনে মনোমুগ্ধকর ভরতনাট্যম পরিবেশন করেন শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী শাম্মি আখতার। দক্ষিণের কার্নাটিক সংগীতের সাথে মায়াময়ী ভরতনাট্যম এক নান্দনিক আবহ তৈরি করে ছায়ানট মিলনায়তন জুড়ে । সংগীত পরিচালনা করেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় শিল্পী কীর্তি রামগোপাল । অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জলন করেন গবেষক  লুবনা মারিয়াম ।

আগত অতিথিবৃন্দ ও সংস্কৃতি প্রেমীগণ কল্পতরু কে অভিনন্দন জানান, রাজধানীতে শাস্ত্রীয় নৃত্য উৎসব আয়োজন করার জন্য। 



সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯

লিসবেথের জ্যাজে মাতলো ঢাকা।

বছরের শেষটা চলে এসেছে, ডিসেম্বর তো পশ্চিমের জন্য অনুষ্ঠান আর উদ্দীপনের মাস। বিশ্ব তো একটাই,এ মাসে নানা রংয়ে সেজে উঠে বিশ্বের নানা জাতি, দেশ। ১ ডিসেম্বর ঢাকার শিল্পকলায় পরীক্ষন হলে জার্মান জ্যাজ ব্যান্ড লিসবেথ কোয়ারটেট মোহিত করে দিলো বাংলাদেশী সংগীত প্রেমিকদের। গ্যাটে ইনস্টিউটের সার্বিক আয়োজনে জার্মান সংগীত দলটি তাদের সেরা কয়েকটি যন্ত্র সংগীত পরিবেশন করে। জার্মান জ্যাজ দলটির লিসবেথের তিনজন সদস্য অংশ নেন কনসার্টে।কনসার্টে ঢাকায় বসবাসরত বিভিন্ন দেশের নাগরিক জার্মান সংগীত দলটির সুরের সমারোহে সাদর অভিবাদন জানান।



সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮


জনপ্রিয়  অভিনেতা আলী জাকের  সাহেব এর  সাথে 


গুণী অভিনেত্রী স্বাগতা ম্যাডাম এর সাথে ,

রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির, ২৫ ই মার্চ ১৯৭১,পাকিস্তানী মিলিটারির নির্মম গণহত্যার স্বীকার

শহীদ মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪০ সালে, সিলেট  জেলায় । ১৯৫৬ সালে সিলেট রাজা হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৮ তে সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজ থেকে আই এস সি , ১৯৬২ সালে ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি শেষ করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে হাইড্রোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন 

লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে  অধ্যয়ন  কালে ব্রিটিশ সরকারের কর্মসূচির অধীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন ১৯৬৪ সালে লেকচারার হিসাবে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সিনিয়র লেকচারার পদে কর্মরত ছিলেন ভূ-তত্ত্ব  বিভাগে 

১৯৬০ দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ,১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান , ১৯৭১ সালে সকল আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন ও অংশগ্রহণ করেছেন

১৯৭১ সালের ২৫ই মার্চ কালোরাত্রিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় যে সকল শিক্ষক শহীদ হন , তাদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার ভবন নং ১২তে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে 


                                           আলোকচিত্র + শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির


 তথ্য সংগ্রহ -- বাংলাদেশ ডাক বিভাগ  কর্তৃক প্রকাশিত, শহীদ বুদ্ধিজীবি  স্মারক ডাকটিকিট ১৯৯৩ এর পোস্টাল ম্যাটেরিয়াল বুক থেকে  
       

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১৮

তবুও ফেইসবুক

বুও ফেইসবুক , প্রথমে শুরু করতে চাই  ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ এর ক্যামব্রিজ এনালিটিকা সমাধান নিয়ে পোস্ট এর কয়েকটি কথা দিয়ে। মার্ক বলেছেন , আমাদের দায়িত্ব ফেইসবুক  ব্যাবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা দেয়া , এটি যদি আমরা নিশ্চিত না করতে পারি তাহলে আমাদের সেবা দেয়ার অধিকার নেই। পুরো বিষয়টি নিয়ে মার্কের সরল স্বীকারোক্তি  ফেইসবুক "ভুল" করেছে 

ক্যামব্রিজ এনালিটিকা একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান , যারা মূলত তথ্য গবেষণা , ডাটা মাইনিং , স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন নিয়ে কাজ করে এবং রাজনৈতিক ও নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রচারণায় তথ্যের যোগান দিয়ে থাকে। হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুলোতে ফলাও করে সংবাদ আসতে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ কোটির বেশি ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য বেআইনি ভাবে হাতিয়ে নিয়েছে কেমব্রিজ এনালিটিকা । যা সর্বোপরিভাবে ফেসবুকের সুনাম এবং অর্জন কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে আরো ব্যাপক ভাবে প্রচার হয় । অনেকেই হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে  ফেইসবুক ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানান

মার্ক জাকারবার্গ এর  পোস্ট টিতে একজন ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে , আলেক্সান্ডার কোগান। কোগান ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক , কোগান এর  তৈরী একটি এপ্লিকেশন  ৩ লক্ষ ব্যাবহারকারির তথ্য একসেস করে ফেলে , এপ্লিকেশন টি দিয়ে। পরবর্তীতে কোগান তথ্য গুলো ক্যামব্রিজ এনালিটিকা  নামক প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করে দেয় ঘটনার পরে থেকে অনেকেই মনে করছেন বিশাল তথ্যভান্ডার অনেকটাই অনিরাপদ। আলেক্সান্ডার কোগান  কর্তৃক নির্মিত  এই এপ্লিকেশনটি  শুধু ব্যবহারকারীর নয় , সাথে সাথে ব্যাবহারকারী ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুদের তথ্য এক্সেস করতে সক্ষম ছিল

বিষয়টি নিয়ে কেমব্রিজ এনালিটিকার সাবেক কর্মী ক্রিস্টোফার উইলিই, গার্ডিয়ান সংবাদপত্র কে বলেন, কেমব্রিজ এনালিটিকা একটা সম্পূর্ণ প্রোপাগান্ডা যন্ত্র

কেমব্রিজ এনালিটিকা দাবি করেছে, ক্রিস্টোফার উইলিই বক্তব্য সঠিক নয়। কেমব্রিজ এনালিটিকা,  ফেইসবুক হতে যে প্রক্রিয়া সমূহে  তথ্য সংগৃহিত হয়েছিল তা  জানার পর , সকল তথ্য ডিলিট করে দেয়।এমনটিই বলেছে  কেমব্রিজ  এনালিটিকা  
ঘটনাটি জনমনে আলোড়ন সৃস্টি করার পর, কেমব্রিজ এনালিটিকা তাদের প্রধান নির্বাহী  আলেক্সান্ডার নিক্স  কে বরখাস্ত করে

ফেইসবুক তাদের তথ্য নিরাপত্তা  আরো জোরদার এবং কঠোর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে 

    

             



বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

নারী অধিকার বাড়ছে সৌদি আরবে

এমন সময় সৌদি নারীদের সামরিক বাহিনীতে যোগদানের অধিকার দিলো , যখন দেশে তাদের সামরিক বাহিনীতে বড় পরিবর্তন আসলো, হঠাৎ এতো অধিকার দিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব, সরাসরি সামরিক বাহিনীতে, বড় জয় সৌদি রক্ষণশীল নারীদের জন্য।
ইসলামিক বোরখা বা পর্দা  ছেড়ে সামরিক উর্দিতে কেমন হবে নারীদের এই পথচলা।নতুন করে আবর্তিত নারী অধিকার কতটা প্রভাব ফেলবে সামরিক বাহিনীতে।এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, আপাতত সৌদি আরবের চারটি প্রদেশে সৈনিক পদে যোগ দিতে পারবেন রক্ষণশীল সৌদি নারীরা। রক্ষণশীল নারীদের সামরিক বাহিনীতে আগমন নতুন চিত্র আঁকবে সৌদি মানব  সমাজে।সৌদি আরবের ইতিহাসে নারীদের জন্য এরকমের গৌরব এটাই প্রথম।সৌদি আরবের সমাজ ব্যাবস্থার বড় পরিবর্তন এটা ।  

ক্রাউন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত ধরে এ রকমের সুযোগ পেলো সৌদি রক্ষণশীল নারী সমাজ।অপার সম্ভবনার যুবরাজ সৌদি সমাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করেন, বিশেষত নারী অধিকার ক্ষেত্র সমূহে।সম্প্রতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেনা বাহিনীতে বড় রদবদল আনেন।ভবিষ্যত বাদশাহ মোহাম্মদ বিন সালমানের আধুনিক সৌদি আরবের উপকরণ হিসাবে নারী অধিকার একটা মাত্রা যোগ করলো সৌদি আরবের রক্ষণশীল সমাজে।দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক বর্তমান বাদশাহ সালমান সম্প্রতি শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে সহকারী মন্ত্রী হিসাবে তামাদার বিন ইউসেফ আল রাম্মাহ নামক একজন নারী কে নিয়োগ দেন।আগামীদিনের সৌদি আরব আরো নারী অধিকারের  প্রতি উদারশীলতা পোষণ করবে বলেই ইঙ্গিত বহন করছে। 

সৌদি আরবে খুব স্বল্প নারী অধিকার দেয়া হতো পূর্ববর্তী  সময়ে, যা বর্তমান সময় কালে এসে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মাধ্যমে বিপুল অধিকার দেয়া হয় সৌদি নারীদের।