সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮
রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮
শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির, ২৫ ই মার্চ ১৯৭১,পাকিস্তানী মিলিটারির নির্মম গণহত্যার স্বীকার
শহীদ মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪০ সালে, সিলেট জেলায় । ১৯৫৬ সালে সিলেট রাজা হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৮ তে সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজ থেকে আই এস সি , ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি শেষ করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে হাইড্রোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন ।
লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালে ব্রিটিশ সরকারের কর্মসূচির অধীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন ১৯৬৪ সালে লেকচারার হিসাবে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সিনিয়র লেকচারার পদে কর্মরত ছিলেন ভূ-তত্ত্ব বিভাগে ।
১৯৬০ দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ,১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান , ১৯৭১ সালে সকল আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন ও অংশগ্রহণ করেছেন।
১৯৭১ সালের ২৫ই মার্চ কালোরাত্রিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় যে সকল শিক্ষক শহীদ হন , তাদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার ভবন নং ১২তে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ।
আলোকচিত্র + শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির
তথ্য সংগ্রহ -- বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত, শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মারক ডাকটিকিট ১৯৯৩ এর পোস্টাল ম্যাটেরিয়াল বুক থেকে
লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালে ব্রিটিশ সরকারের কর্মসূচির অধীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন ১৯৬৪ সালে লেকচারার হিসাবে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সিনিয়র লেকচারার পদে কর্মরত ছিলেন ভূ-তত্ত্ব বিভাগে ।
১৯৬০ দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ,১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান , ১৯৭১ সালে সকল আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন ও অংশগ্রহণ করেছেন।
১৯৭১ সালের ২৫ই মার্চ কালোরাত্রিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় যে সকল শিক্ষক শহীদ হন , তাদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার ভবন নং ১২তে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ।
আলোকচিত্র + শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির
তথ্য সংগ্রহ -- বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত, শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মারক ডাকটিকিট ১৯৯৩ এর পোস্টাল ম্যাটেরিয়াল বুক থেকে
শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১৮
তবুও ফেইসবুক
তবুও ফেইসবুক , প্রথমে শুরু করতে চাই ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ এর ক্যামব্রিজ এনালিটিকা সমাধান নিয়ে পোস্ট এর কয়েকটি কথা দিয়ে। মার্ক বলেছেন , আমাদের দায়িত্ব ফেইসবুক ব্যাবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা দেয়া , এটি যদি আমরা নিশ্চিত না করতে পারি তাহলে আমাদের সেবা দেয়ার অধিকার নেই। পুরো বিষয়টি নিয়ে মার্কের সরল স্বীকারোক্তি ফেইসবুক "ভুল" করেছে।
ক্যামব্রিজ এনালিটিকা একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান , যারা মূলত তথ্য গবেষণা , ডাটা মাইনিং , স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন নিয়ে কাজ করে এবং রাজনৈতিক ও নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রচারণায় তথ্যের যোগান দিয়ে থাকে। হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুলোতে ফলাও করে সংবাদ আসতে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ কোটির বেশি ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য বেআইনি ভাবে হাতিয়ে নিয়েছে কেমব্রিজ এনালিটিকা । যা সর্বোপরিভাবে ফেসবুকের সুনাম এবং অর্জন কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে আরো ব্যাপক ভাবে প্রচার হয় । অনেকেই হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে ফেইসবুক ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
মার্ক জাকারবার্গ এর পোস্ট টিতে একজন ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে , আলেক্সান্ডার কোগান। কোগান ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক , কোগান এর তৈরী একটি এপ্লিকেশন ৩ লক্ষ ব্যাবহারকারির তথ্য একসেস করে ফেলে , এপ্লিকেশন টি দিয়ে। পরবর্তীতে কোগান তথ্য গুলো ক্যামব্রিজ এনালিটিকা নামক প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করে দেয়। ঘটনার পরে থেকে অনেকেই মনে করছেন বিশাল তথ্যভান্ডার অনেকটাই অনিরাপদ। আলেক্সান্ডার কোগান কর্তৃক নির্মিত এই এপ্লিকেশনটি শুধু ব্যবহারকারীর নয় , সাথে সাথে ব্যাবহারকারী ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুদের তথ্য এক্সেস করতে সক্ষম ছিল।
বিষয়টি নিয়ে কেমব্রিজ এনালিটিকার সাবেক কর্মী ক্রিস্টোফার উইলিই, গার্ডিয়ান সংবাদপত্র কে বলেন, কেমব্রিজ এনালিটিকা একটা সম্পূর্ণ প্রোপাগান্ডা যন্ত্র।
কেমব্রিজ এনালিটিকা দাবি করেছে, ক্রিস্টোফার উইলিই বক্তব্য সঠিক নয়। কেমব্রিজ এনালিটিকা, ফেইসবুক হতে যে প্রক্রিয়া সমূহে তথ্য সংগৃহিত হয়েছিল তা জানার পর , সকল তথ্য ডিলিট করে দেয়।এমনটিই বলেছে কেমব্রিজ এনালিটিকা।
ঘটনাটি জনমনে আলোড়ন সৃস্টি করার পর, কেমব্রিজ এনালিটিকা তাদের প্রধান নির্বাহী আলেক্সান্ডার নিক্স কে বরখাস্ত করে।
ফেইসবুক তাদের তথ্য নিরাপত্তা আরো জোরদার এবং কঠোর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
নারী অধিকার বাড়ছে সৌদি আরবে
এমন সময় সৌদি নারীদের সামরিক বাহিনীতে যোগদানের অধিকার দিলো , যখন দেশে তাদের সামরিক বাহিনীতে বড় পরিবর্তন আসলো, হঠাৎ এতো অধিকার দিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব, সরাসরি সামরিক বাহিনীতে, বড় জয় সৌদি রক্ষণশীল নারীদের জন্য।
ইসলামিক বোরখা বা পর্দা ছেড়ে সামরিক উর্দিতে কেমন হবে নারীদের এই পথচলা।নতুন করে আবর্তিত নারী অধিকার কতটা প্রভাব ফেলবে সামরিক বাহিনীতে।এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, আপাতত সৌদি আরবের চারটি প্রদেশে সৈনিক পদে যোগ দিতে পারবেন রক্ষণশীল সৌদি নারীরা। রক্ষণশীল নারীদের সামরিক বাহিনীতে আগমন নতুন চিত্র আঁকবে সৌদি মানব সমাজে।সৌদি আরবের ইতিহাসে নারীদের জন্য এরকমের গৌরব এটাই প্রথম।সৌদি আরবের সমাজ ব্যাবস্থার বড় পরিবর্তন এটা ।
ক্রাউন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত ধরে এ রকমের সুযোগ পেলো সৌদি রক্ষণশীল নারী সমাজ।অপার সম্ভবনার যুবরাজ সৌদি সমাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করেন, বিশেষত নারী অধিকার ক্ষেত্র সমূহে।সম্প্রতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেনা বাহিনীতে বড় রদবদল আনেন।ভবিষ্যত বাদশাহ মোহাম্মদ বিন সালমানের আধুনিক সৌদি আরবের উপকরণ হিসাবে নারী অধিকার একটা মাত্রা যোগ করলো সৌদি আরবের রক্ষণশীল সমাজে।দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক বর্তমান বাদশাহ সালমান সম্প্রতি শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে সহকারী মন্ত্রী হিসাবে তামাদার বিন ইউসেফ আল রাম্মাহ নামক একজন নারী কে নিয়োগ দেন।আগামীদিনের সৌদি আরব আরো নারী অধিকারের প্রতি উদারশীলতা পোষণ করবে বলেই ইঙ্গিত বহন করছে।
সৌদি আরবে খুব স্বল্প নারী অধিকার দেয়া হতো পূর্ববর্তী সময়ে, যা বর্তমান সময় কালে এসে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মাধ্যমে বিপুল অধিকার দেয়া হয় সৌদি নারীদের।
রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৭
সালভাদর দালি ও সময়কাল
চিত্রশিল্পের যে ইন্দ্রিয় সম্পর্ক বৃত্ত আছে তা সালভাদোর দালি র সৃস্টিকর্ম না দেখলে বোঝা যাবেনা।দালি জনপ্রিয় সুরিয়ালিস্ট, স্পেনের ক্যাটালোনিয়ায় জন্ম। গভীর কল্পনা শক্তিধর একজন চিত্র শিল্পী।১৯০৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন ,মধ্যবিত্ত পরিবারে।তার সৃস্টি গুলো আসলে সমালোচনা করার জায়গা থেকে বিচার করা যায় না, অপ্রত্যাশিত চিন্তা নিয়ে খেলা করেন এই শিল্পী ,তার দৃশ্য নান্দনিকতা ,চিন্তার গভীরতা তাকে তার সমকালীন সেরা চিত্র শিল্পী হিসাবে স্মরণীয় করে রেখেছে মানুষের কাছে ।
প্যারানোইএক ক্রিটিক্যাল তার ছবি গুলো একপ্রকারের চিন্তার স্তরে উঁচু নিচু তরঙ্গের তৈরী করে। অলীকতা বা বাস্তব এবং অবাস্তব দৃশ্য এর মিশেলে ছবিগুলো পৃথিবীর শিল্পের ইতিহাসে জীবন্ত হয়ে আছে। চলচ্চিত্রকার হিসাবে কাজ করেছেন এন আন্দালুসিয়ান ডগ চলচিত্রে। বিভিন্ন আর্ট ফর্মে কাজ করেছেন এই গুণী শিল্পী, সেট ডিসাইন , নাট্য মঞ্চ তৈরী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া । প্রচুর অর্থ সম্পদ অর্জন করেন তার শৈল্পিক মেধা দিয়ে, নিজ বসবাসের জন্য তৈরি করেন কেল্লা।বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন , এবং অর্থ আয় করাটা শৈল্পিক দৃস্টিভঙ্গি থেকে দেখতেন।প্রচন্ড ভালোবাসতেন স্ত্রী গালা কে।
ফোটোগ্রাফি,ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন, ব্যাক্তি সালভাদোর দালি তার ফ্যাশন এর কারণে সবসময় আলোচিত ছিলেন।বাস্কেট অফ ব্রেড তার অন্যতম সৃস্টি ,শেষ চিত্র কর্ম শ্যালোস টেইল। তার সমগ্র শিল্পকর্ম গুলো ভিন্ন মাত্রিকতায় তৈরি যা প্রচলিত ধারণার বাহিরে।তার সুরিয়ালিস্ট শিল্পকর্ম গুলো পৃথিবীর সেরা বলে বিবেচিত হয়। নতুন শিল্পীদের অনেক সহায়তা করতেন ,সালভাদোর।তৎকালীন মার্কিন অনেক শিল্পী তার সান্নিধ্য পেয়েছেন।নিজ খরচে তৈরী করেন তার থিয়েটার মিউজিয়াম।
১৯৮৯ সালে দালি ৮৪ বছর বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।তিনি ছিলেন সমগ্র আর্ট ফর্মের শিল্পী। অনেকে বলে থাকেন তিনি ফ্রয়েডীয় চিন্তা চেতনার ছিলেন। শেষের দিকে ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ এর কোয়ান্টাম থিওরি দিকে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭
মোহাম্মদ বিন সালমান, ক্রাউন যুবরাজ কিংডম অফ সৌদি আরাবিয়া , দা হাউস অফ সৌদ
মোহাম্মদ বিন সালমান, হলেন বর্তমান কিংডম অফ সৌদি আরাবিয়া এর ক্রাউন যুবরাজ। বর্তমান আকারে বলতে গেলে সৌদি আরব ভূখণ্ডের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষমতা ধর যুবরাজ তিনি। যুবরাজের আন্তর্জাতিক আরেকটি পরিচয় তিনি সমগ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়স্ক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। তিনি হাউস অফ সৌদ এর কিং বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজেরর পুত্র।
আধুনিক সৌদি আরাবিয়ার এবং নতুন অর্থনৈতিক সৌদি আরব স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।ইসলামিক শারীয়াহ শাসনতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত, রাজতন্ত্র বিদ্যমান সৌদি, প্রথম সারির বিশ্ব ক্ষমতার অংশীদার হতে পারে।পশ্চিমা আন্তর্জাতিক বিশ্ব কিন্তু ক্রাউন প্রিন্স ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই সাদরে গ্রহণ করে সৌদি যুবরাজ কে। এ বছরেই তিনি ক্রাউন প্রিন্স হিসাবে অভিষিক্ত হন বাদশাহ কর্তৃক ।
এ বছরে রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত ফিউচার ইনভেসমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনে যুবরাজ বলেছিলেন উগ্রবাদের বিরুদ্ধে আরো কঠিন পদক্ষেপে যাবেন। যুক্তরাস্ট্র - সৌদি আরব সম্পর্ক তিনি জোরালো অবস্থানে রেখেছেন, এ বছর মার্চে ওয়াশিংটন সফর করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি যুবরাজের সাথে দেখা করেন।
ডিডব্লিউ ডটকম একটি রিপোর্টে যুবরাজের উদৃতি জানিয়েছিল , ২০৩০ এর সৌদি আরব ভিশন কাজ করছেন তিনি , যা তেল অর্থনীতির , চেয়ে ভিন্নতর কিছু হবে।
তারই নতুন সৌদি আরবের পথচলা শুরু করেছেন। সম্প্রতি মোহাম্মদ বিন সালমান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও মহলে আলোচিত হয়েছেন।আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে আছেন তিনি। দুর্নীতি অভিযোগে রাজ্ বংশের সদস্য , সৌদি আরবের প্রভাবশালীদের আইনের আওতায় আনা হয়। তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম। ক্ষমতাধর কয়েকটি পদে রদবদল হয়। সৌদি ধর্মীয় মহলের সমর্থন রয়েছে ক্রাউন যুবরাজের সাথে।মার্কিন যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় তার সমর্থন ব্যক্ত করেছেন দুর্নীতি বিরোধী অভিযান কার্যক্রমের।
আগামীর নতুন সৌদি আরব গড়ার লক্ষে , দুর্নীতি মুক্ত সৌদি নিশ্চিত করতেই এই অভিযান। আগামীর নতুন অর্থনৈতিক সৌদি আরব গড়ার প্রত্যয় রয়েছে ক্রাউন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এর। তার নতুন পথচলার ধরণ কেমন হবে তা দুর্নীতি বিরোধী অভিযান থেকে কিছুটা হলেও অনুমান করা যাচ্ছে। আগামীর সৌদি আরব এর স্বপ্ন আরো একধাপ এগোলো যুবরাজের , বাকি টা হয়তো ভবিষ্যত সময় বলে দিবে সমগ্র পৃথিবীকে।
তথ্য - দা মিরর, লস এন্জেল টাইমস , দা আটলান্টিক অবলম্বনে
![]() |
| সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান |
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






