রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০২২

কালা ভুনার ইতিহাস ও বাংলার রসনা বিলাস


 কালা ভুনা আমাদের বেশির ভাগ মানুষের পছন্দের তরকারি। এটি মুলত চট্টগ্রামের আদি একটি খাবার, যার কদর দক্ষিন এশিয়ার সবখানেই রয়েছে। চট্টগ্রামের রেঁস্তোরা গুলোতে নাকি কালা ভুনার তৈরীর জন্য বিশেষ বাবুরচি রাখা হয়। ইতিহাস ঘটালে দেখা যায়, কালা ভুনা ১৭ শতকের শুরুতে বাংলায় আসে, আরাকানের রসনার সংস্কৃতির হাত ধরে। যতদুর উইকিপিডিয়া নিকট থেকে জানা যায়, তা হলো ১৭ শতকে বাংলার রসনায় যুক্ত হয় খাবারটি। পর্তুগিজ, ইংরেজ সকল শাসন আমলেই খাবারটি চট্টগ্রামের রসনার বিলাস কে দুনিয়ার অন্য জাতিদের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরে। 


সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

আমার ঠাকুর দাদার গল্প

 আমার ঠাকুরদাদা জনাব ডাঃ আজিজুর রহমান খান ( ঠান্ডা মিয়া )। তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার হাজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তার পিতার নাম ফজলুর রহমান খান, ফজলুর রহমান খান মানিকগঞ্জ বালিয়াটি জমিদারির নায়েব ছিলেন। ফজলুর রহমান খান সাহেবের পিতার নাম যতদূর জানা যায়, লুৎফুর রহমান খান। তবে আমার পরিবারের গল্পটা সেদিকে যায়নি। আমার ঠাকুর দাদা ছিলেন সত্য জ্ঞান অনুরাগী, চিকিৎসা বিজ্ঞানে লেখা পড়া করার জন্য তিনি কলকাতা গমন করলে, তার পিতা জনাব ফজলুর রহমান খান তার প্রতি নাখোশ হন, কারণ পরিবারের বড় সন্তান ছিলেন আমার ঠাকুরদাদা, ফজলুর রহমান খান চাইতেন তার বড় সন্তান ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করুক ।  ফজলুর রহমান খান মনে প্রাণে ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ বাঙালি মুসলমান ও গোড়া ব্রিটিশ বিরোধী । ফজলুর রহমান খান কখনোই চান নি তার প্রথম সন্তান ঠান্ডা মিয়া পাশ্চত্য শিক্ষায় দীক্ষিত হন । ফজলুর রহমান খান সাহেবের সহধর্মিনী ছিলেন জনাব ফয়জাননেসা, তিনি ধামরাই নিবাসী মাটি জমিনদার জনাব আব্দুল হাকিম চৌধুরীর বড় কন্যা।আমার ঠাকুরদাদার নানা ছিলেন তিনি, হাকিম সাহেব অঢেল ভূ সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন । তিনি ছিলেন ব্রিটিশ রাজ্যের প্রতি সদা অনুগত সেবক, তিনি ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সুবিধা পেয়েছিলেন, তিনি যৌবন বয়সেই ২ টি মৌজার মালিক হয়েছিলেন ছিলেন । আব্দুল হাকিম সাহেবের একমাত্র পুত্র সন্তান ছিলেন জনাব সামসুদ্দোহা চৌধুরী, তিনি ছিলেন অসাধারণ প্রখর মেধাবী,তার অকাল মৃত্যু হলে, হাকিম সাহেব একলা হয়ে পড়েন।একমাত্র পুত্রবিয়োগের যন্ত্রনা আব্দুল হাকিম সাহেব চৌধুরী কে বিমর্ষ করে তুলে, তিনি অঢেল সম্পদ কি করবেন তা নির্ধারণ করতে পারছিলেন না।আব্দুল হাকিম চৌধুরী তার পশ্চিম পাইকপাড়া গ্রামে প্রথম মসজিদ স্থাপন করেন, পুকুর খনন করেন জনসাধারণের জন্য। তিনি পাইকপাড়া জামে মসজিদের প্রথম মোতাওয়াল্লী।


চৌধুরী সাহেবের একমাত্র পুত্রসন্তান বিয়োগের কষ্ট তাকে জীবনের প্রতি বিমর্ষ করে তুলেছিল, তিনি তার প্রখর মেধাবী সন্তান সামসুদ্দোহা হারিয়ে নিঃশেষ। তার কন্যা ফয়জাননেসার সন্তান আমার ঠাকুরদাদা ঠান্ডা মিয়া ছিলেন, তার চোখেরমনি ঠান্ডা কে দেখলেই তিনি দুনিয়াবী সব যন্ত্রণার বোঝা হটিয়ে ফেলতেন, ভাবতেন যে তার সম্পদ দেখাশোনার জন্য যোগ্য কেউ তো আছেন। আমার ঠাকুরদাদার বাবা ফজলুর রহমান খান জীবনদশায় আমার ঠাকুর দাদা কে মাফ করেন নি, তিনি চাইতেন না ইংরেজি শিক্ষায় দীক্ষিত ঠান্ডা মিয়ার রক্ত তার পরিবারের সাথে আর থাকুক। ফজলুর রহমান খান তিন সন্তান ছিল ঠান্ডা, বরফ, শরৎ । তিনি তার সম্পদ ২ ছেলের মধ্যে বাটোয়ারা করে দিয়ে দেন।ঠান্ডা মিয়া কে কখনই তিনি আর পছন্দ করতেন না । ঠান্ডা মিয়া পড়াশুনা শেষ করে কলকাতা থেকে মানিকগঞ্জ আসলে তার বিষয়ে কোনো খোঁজখবর ও নেন নি তার পিতা ফজলুর রহমান খান। এদিকে আমার দাদার মমতাময়ী মা জনাবা ফয়জন্নেসা ছেলের প্রতি স্বামীর এমন কঠোর মনোভাবে খুবই কষ্ট পান এবং আমার ঠাকুরদাদা কে ধামরাইয়ে পাইকপাড়া গ্রামে আব্দুল হাকিম চৌধুরীর নিকট পাঠিয়ে দেন।আব্দুল হাকিম চৌধুরী পাশ্চত্য শিক্ষায় ইংরেজি জানা ঠান্ডা মিয়া কে পেয়ে তার বংশের হারানো আলো খুঁজে পান। 

শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির চুক্তি

তানভীর আলম খান: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি গত ১৬ ই  মে ২০২০ একটি  চুক্তি স্বাক্ষর  করেছে।  চুক্তিতে আন্তর্জাতিক সংস্থা দুটি সম্মত হয়েছে যে , ক্রীড়া ও শরীর চর্চার মাধ্যমে বৈশ্বিক স্বাস্হ্য পরিস্থিতির উন্নয়নে একত্রে কাজ করার। সহযোগিতা চুক্তিটি  বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্থার সদর দফতরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে স্বাক্ষরিত হয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা  ( এস ডি জি ) ৩ অনুসারে  সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি  অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যেই  বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতে বেশ কিছু  অগ্রগতি পরিলক্ষিত হবে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহা -পরিচালক ডাঃ টেড্রস আধানম  বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতি অর্জনে অংশীদারিত্বমূলক চুক্তিটির প্রতি সাধুবাদ জানিয়েছেন।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহা -পরিচালক  আরো বলেন ," বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুধুমাত্র রোগ- বালাই নিয়েই কাজ করে না  বরং  মানুষের সুস্থ সবল জীবন যাপনে সহায়তা করতেও কাজ করে, এবং চুক্তিটি ঠিক এই কাজটাই করবে, শরীর চর্চা হলো  সুস্থ ও  সবল থাকার অন্যতম উপাদান"। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের ওয়েব সাইট সংবাদ বিভাগে তথ্যটি প্রকাশ করে, সংস্থা টি  আরো জানিয়েছে  যে শরীর চর্চা বিভিন্ন রোগের ঝুঁকির সম্ভবনা কমিয়ে আনে।ক্যান্সার , উচ্চরক্তচাপঃ, হৃদরোগ,  ডায়াবেটিস  রোগীদের জন্য শরীর চর্চা  অনেক কার্যকর ও উপকারী। 




আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি টমাস বাখ বলেন, "গত কয়েক মাসের সংকটকালীন সময়ে আমরা দেখছি যে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্রীড়া ও শরীর চর্চা কতখানি জরুরী, খেলাধুলা জীবন বাঁচায়"। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ওয়েব সাইট সংবাদ বিভাগে প্রকাশিত তথ্যে তিনি আরো বলেন, "আমরা করোনা ভাইরাস পরবর্তী সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেশ সমূহ থেকে উপকৃত হবো, যেখানে জনস্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে কাজ করতে অধীর অপেক্ষায় আছি"।  


আসন্ন টোকিও অলিম্পিক গেমস ২০২০ সালের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া আসর  কিভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে  করা যায় তার একটি নমুনা খসড়া দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  চুক্তিটি অনুসারে সংস্থা দুটি মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা, পানির গুণগত মানউন্নয়ন, বায়ুদূষণ রোধ  নিয়ে কাজ করবে। চুক্তি তে  ৫ টি লক্ষ নির্ধারিত হয়।   

  
       


বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের স্মৃতি





তানভীর আলম খান : আমার সংগ্রহে থাকা দ্বীতিয় বিশ্ব যুদ্ধেৱ সময়কালে প্রচোলিত কিছু ডাক টিকিট। যুক্তরাষ্ট্ৰ , জার্মানি , ব্রিটেন  দেশ সমূহের ডাক টিকিট রয়েছে। প্রথম সারির ডানদিক থেকে প্রথম টি  মার্কিন,ডাকটিকেটে লেখা আছে WIN the War শব্দ, দ্বিতীয় টি তে যাকে  দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন  এডলফ হিটলার , তৎকালীন জার্মানির নাম ছিল ডয়েচেস রিচ ,  তৃতীয়ঃ টি ষষ্ঠ জর্জ,ব্রিটিশ রাজা। দ্বীতিয় সারির  ১ ও ৩ টি জার্মানির হিটলার ও শেষ টি হলো ব্রিটিশ।

সংগ্রহ টি মূলত দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়কালের কয়েকটি দেশের ডাক টিকিট , যার প্ৰচলন ছিল সে সময় দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় কালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম ছিল চিঠি। চিঠিতে  যুদ্ধ ময়দান থেকে জার্মান নাৎসী বাহিনী তাদের পরিবারের কাছে জানাতো তাদের জীবন।  “হিটলারের হেড“ নামে পরিচিত  ডাকটিকিট গুলো মূলত যুদ্ধ ক্ষেত্র  হতে ইনকামিং বা আউটগোয়িং ছিল। মার্কিন স্ট্যাম্প টি মূলত আমেরিকা থেকে যেত।  ব্রিটিশ স্টাম্পস গুলো উভয় ছিল


মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯

মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ মুকুট জিতলেন উর্বী ইসলাম

মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ মুকুট জিতলেন উর্বী ইসলাম।৯ ডিসেম্বর  রাজধানীর পূর্বাচলে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত বায়ো-জিন কসমেসিউটিক্যালস মিসেস ইউনিভার্স ২০১৯ বাংলাদেশ ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার গালা নাইট অনুষ্ঠিত হয়।সারা দেশ থেকে কয়েক হাজার বিবাহিত নারীদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতার  বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সেরা এগারো নির্বাচিত করেন মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশের জুরি মন্ডলী।প্রতিযোগীদের দীর্ঘ দুই মাসের কঠোর গ্রূমিং, উপস্থাপনা , স্বাস্থ্য সচেতনতা, ফ্যাশন, নৃত্য, বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। বিবাহিত নারীদের  ক্ষমতায়ন করার  মূল উদ্দেশ্য নিয়েই প্রতিযোগিতা টি আয়োজন করা হয়। 

মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ প্রথম রানার আপ হয়েছেন অনন্যা প্রেমা, দ্বিতীয় রানার আপ সায়মা আলম, তৃতীয় রানার আপ সাগুফতা ফারুক সাদিয়া, বেস্ট হেয়ার পেয়েছেন শারমিন আক্তার লাবনী, মিসেস ফটোজেনিক হয়েছেন করবী কথা। এছাড়া অন্য প্রতিযোগীরা হলেন সোহানা তিথি, ফাইজা চৌধুরী, ফারহানা হাবিব, জিনিয়া শারমিন, আশরাফুন নেসা, এবং নুজহাত বিনতে ওসমান।

আমাদের দেশে বিয়ের পর সাধারণত নারীদের ব্যস্ততা সাংসারিক জীবন বা কর্মক্ষেত্র নিয়ে, সেখানে এরকম আয়োজন বিবাহিত নারীদের জন্য নতুন একটি পথ উন্মোচিত করলো । বিবাহিত নারীদের জীবনে এগিয়ে যাওয়ার  জন্য আত্মবিশ্বাস, আত্মনির্ভরতা,  ক্ষমতায়নের  মিশেলে পরিচালিত সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা টি  সামনের দিনগুলোতে  আরো অনেক নারীদের সুযোগ করে দিবে বলে অনুষ্ঠানের আয়োজকবৃন্দ মতামত ব্যক্ত করেন। মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯  গালা নাইট অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ব্যান্ড তারকা বালাম, সংগীতশিল্পী নিলয় , জুলি, রেশমী। 

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন মডেল ও অভিনয় শিল্পী কাজী আসিফ রহমান , অন্তূ করীম , মডেল ইসরাত। সার্বিক নির্দেশনায় ছিলেন আফসানা হেলালী জোনাকি।মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ আয়োজিত হয় অপূর্ব লতিফ ফ্রাঞ্চাইজি থেকে। অপূর্ব লতিফ জানান বিজয়ী প্রতিযোগী বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।   

মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ বিজয়ী উর্বী ইসলাম কে মুকুট পরিয়ে দেন আফসানা হেলালী জোনাকি। 



                                          

শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

রাজধানী ঢাকায় পার্বত্য সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, জনপদের পার্বত্য মেলা ২০১৯

 রাজধানী ঢাকায় ০৫ ডিসেম্বর  থেকে শুরু হয়েছে পার্বত্য মেলা ২০১৯। রাজধানীর শিল্পকলার মাঠে  রাজধানীবাসীদের সাথে পার্বত্য সংস্কৃতি,ঐতিহ্য এবং  পার্বত্য জনপদের জীবনযাত্রা তুলে ধরতে আয়োজন করা হয়েছে মেলাটিরমেলা আয়োজন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মেলায় স্থান পেয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের নানান উৎপাদিত পণ্য। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান থেকে বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায় তাদের পণ্য নিয়ে এসেছেন। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন মুখরোচক তৈরি খাবার, হ্যান্ডলুম শীত বস্ত্র, জুম চাষের ফল, মসলা, হস্তশিল্প ভালো বিক্রয় হচ্ছে ।  মেলা শেষ হবে ৮ ডিসেম্বর ।

মেলায় আগত অতিথি,দর্শণার্থী  জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে ।রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান থেকে আগত শিল্পীবৃন্দ আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাজধানীর শ্রোতাদের  গান পরিবেশন করেন।

২ নভেম্বর ২০১৯ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২২ বছর পূর্ণ হলো । ১৯৯৭ সালের ২ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার চুক্তিটি সাক্ষর করেছিল ।               



মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

কল্পতরুর শাস্ত্রীয় ভরতনাট্যম নৃত্য উৎসব ২০১৯

ভারতের শাস্ত্রীয় নৃত্যকলায় বেশ কয়েকটি ধারা রয়েছে, তার মধ্যে ভরতনাট্যম অন্যতম । শাস্ত্রীয় নৃত্যের তিন দিনব্যাপি উৎসব আয়োজন করেছে কল্পতরু। রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে শাস্ত্রীয় নৃত্য পরিবেশন করবেন তিনজন শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী। উৎসব চলবে ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ।

উৎসবের দ্বিতীয়দিনে মনোমুগ্ধকর ভরতনাট্যম পরিবেশন করেন শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী শাম্মি আখতার। দক্ষিণের কার্নাটিক সংগীতের সাথে মায়াময়ী ভরতনাট্যম এক নান্দনিক আবহ তৈরি করে ছায়ানট মিলনায়তন জুড়ে । সংগীত পরিচালনা করেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় শিল্পী কীর্তি রামগোপাল । অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জলন করেন গবেষক  লুবনা মারিয়াম ।

আগত অতিথিবৃন্দ ও সংস্কৃতি প্রেমীগণ কল্পতরু কে অভিনন্দন জানান, রাজধানীতে শাস্ত্রীয় নৃত্য উৎসব আয়োজন করার জন্য। 



সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯

লিসবেথের জ্যাজে মাতলো ঢাকা।

বছরের শেষটা চলে এসেছে, ডিসেম্বর তো পশ্চিমের জন্য অনুষ্ঠান আর উদ্দীপনের মাস। বিশ্ব তো একটাই,এ মাসে নানা রংয়ে সেজে উঠে বিশ্বের নানা জাতি, দেশ। ১ ডিসেম্বর ঢাকার শিল্পকলায় পরীক্ষন হলে জার্মান জ্যাজ ব্যান্ড লিসবেথ কোয়ারটেট মোহিত করে দিলো বাংলাদেশী সংগীত প্রেমিকদের। গ্যাটে ইনস্টিউটের সার্বিক আয়োজনে জার্মান সংগীত দলটি তাদের সেরা কয়েকটি যন্ত্র সংগীত পরিবেশন করে। জার্মান জ্যাজ দলটির লিসবেথের তিনজন সদস্য অংশ নেন কনসার্টে।কনসার্টে ঢাকায় বসবাসরত বিভিন্ন দেশের নাগরিক জার্মান সংগীত দলটির সুরের সমারোহে সাদর অভিবাদন জানান।



সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮


জনপ্রিয়  অভিনেতা আলী জাকের  সাহেব এর  সাথে 


গুণী অভিনেত্রী স্বাগতা ম্যাডাম এর সাথে ,

রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির, ২৫ ই মার্চ ১৯৭১,পাকিস্তানী মিলিটারির নির্মম গণহত্যার স্বীকার

শহীদ মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪০ সালে, সিলেট  জেলায় । ১৯৫৬ সালে সিলেট রাজা হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৮ তে সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজ থেকে আই এস সি , ১৯৬২ সালে ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি শেষ করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে হাইড্রোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন 

লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে  অধ্যয়ন  কালে ব্রিটিশ সরকারের কর্মসূচির অধীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন ১৯৬৪ সালে লেকচারার হিসাবে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সিনিয়র লেকচারার পদে কর্মরত ছিলেন ভূ-তত্ত্ব  বিভাগে 

১৯৬০ দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ,১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান , ১৯৭১ সালে সকল আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন ও অংশগ্রহণ করেছেন

১৯৭১ সালের ২৫ই মার্চ কালোরাত্রিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় যে সকল শিক্ষক শহীদ হন , তাদের মধ্যে মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার ভবন নং ১২তে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে 


                                           আলোকচিত্র + শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির


 তথ্য সংগ্রহ -- বাংলাদেশ ডাক বিভাগ  কর্তৃক প্রকাশিত, শহীদ বুদ্ধিজীবি  স্মারক ডাকটিকিট ১৯৯৩ এর পোস্টাল ম্যাটেরিয়াল বুক থেকে  
       

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১৮

তবুও ফেইসবুক

বুও ফেইসবুক , প্রথমে শুরু করতে চাই  ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ এর ক্যামব্রিজ এনালিটিকা সমাধান নিয়ে পোস্ট এর কয়েকটি কথা দিয়ে। মার্ক বলেছেন , আমাদের দায়িত্ব ফেইসবুক  ব্যাবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা দেয়া , এটি যদি আমরা নিশ্চিত না করতে পারি তাহলে আমাদের সেবা দেয়ার অধিকার নেই। পুরো বিষয়টি নিয়ে মার্কের সরল স্বীকারোক্তি  ফেইসবুক "ভুল" করেছে 

ক্যামব্রিজ এনালিটিকা একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান , যারা মূলত তথ্য গবেষণা , ডাটা মাইনিং , স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন নিয়ে কাজ করে এবং রাজনৈতিক ও নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রচারণায় তথ্যের যোগান দিয়ে থাকে। হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুলোতে ফলাও করে সংবাদ আসতে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ কোটির বেশি ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য বেআইনি ভাবে হাতিয়ে নিয়েছে কেমব্রিজ এনালিটিকা । যা সর্বোপরিভাবে ফেসবুকের সুনাম এবং অর্জন কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে আরো ব্যাপক ভাবে প্রচার হয় । অনেকেই হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে  ফেইসবুক ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানান

মার্ক জাকারবার্গ এর  পোস্ট টিতে একজন ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে , আলেক্সান্ডার কোগান। কোগান ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক , কোগান এর  তৈরী একটি এপ্লিকেশন  ৩ লক্ষ ব্যাবহারকারির তথ্য একসেস করে ফেলে , এপ্লিকেশন টি দিয়ে। পরবর্তীতে কোগান তথ্য গুলো ক্যামব্রিজ এনালিটিকা  নামক প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করে দেয় ঘটনার পরে থেকে অনেকেই মনে করছেন বিশাল তথ্যভান্ডার অনেকটাই অনিরাপদ। আলেক্সান্ডার কোগান  কর্তৃক নির্মিত  এই এপ্লিকেশনটি  শুধু ব্যবহারকারীর নয় , সাথে সাথে ব্যাবহারকারী ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুদের তথ্য এক্সেস করতে সক্ষম ছিল

বিষয়টি নিয়ে কেমব্রিজ এনালিটিকার সাবেক কর্মী ক্রিস্টোফার উইলিই, গার্ডিয়ান সংবাদপত্র কে বলেন, কেমব্রিজ এনালিটিকা একটা সম্পূর্ণ প্রোপাগান্ডা যন্ত্র

কেমব্রিজ এনালিটিকা দাবি করেছে, ক্রিস্টোফার উইলিই বক্তব্য সঠিক নয়। কেমব্রিজ এনালিটিকা,  ফেইসবুক হতে যে প্রক্রিয়া সমূহে  তথ্য সংগৃহিত হয়েছিল তা  জানার পর , সকল তথ্য ডিলিট করে দেয়।এমনটিই বলেছে  কেমব্রিজ  এনালিটিকা  
ঘটনাটি জনমনে আলোড়ন সৃস্টি করার পর, কেমব্রিজ এনালিটিকা তাদের প্রধান নির্বাহী  আলেক্সান্ডার নিক্স  কে বরখাস্ত করে

ফেইসবুক তাদের তথ্য নিরাপত্তা  আরো জোরদার এবং কঠোর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে 

    

             



বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

নারী অধিকার বাড়ছে সৌদি আরবে

এমন সময় সৌদি নারীদের সামরিক বাহিনীতে যোগদানের অধিকার দিলো , যখন দেশে তাদের সামরিক বাহিনীতে বড় পরিবর্তন আসলো, হঠাৎ এতো অধিকার দিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব, সরাসরি সামরিক বাহিনীতে, বড় জয় সৌদি রক্ষণশীল নারীদের জন্য।
ইসলামিক বোরখা বা পর্দা  ছেড়ে সামরিক উর্দিতে কেমন হবে নারীদের এই পথচলা।নতুন করে আবর্তিত নারী অধিকার কতটা প্রভাব ফেলবে সামরিক বাহিনীতে।এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, আপাতত সৌদি আরবের চারটি প্রদেশে সৈনিক পদে যোগ দিতে পারবেন রক্ষণশীল সৌদি নারীরা। রক্ষণশীল নারীদের সামরিক বাহিনীতে আগমন নতুন চিত্র আঁকবে সৌদি মানব  সমাজে।সৌদি আরবের ইতিহাসে নারীদের জন্য এরকমের গৌরব এটাই প্রথম।সৌদি আরবের সমাজ ব্যাবস্থার বড় পরিবর্তন এটা ।  

ক্রাউন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত ধরে এ রকমের সুযোগ পেলো সৌদি রক্ষণশীল নারী সমাজ।অপার সম্ভবনার যুবরাজ সৌদি সমাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করেন, বিশেষত নারী অধিকার ক্ষেত্র সমূহে।সম্প্রতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেনা বাহিনীতে বড় রদবদল আনেন।ভবিষ্যত বাদশাহ মোহাম্মদ বিন সালমানের আধুনিক সৌদি আরবের উপকরণ হিসাবে নারী অধিকার একটা মাত্রা যোগ করলো সৌদি আরবের রক্ষণশীল সমাজে।দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক বর্তমান বাদশাহ সালমান সম্প্রতি শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে সহকারী মন্ত্রী হিসাবে তামাদার বিন ইউসেফ আল রাম্মাহ নামক একজন নারী কে নিয়োগ দেন।আগামীদিনের সৌদি আরব আরো নারী অধিকারের  প্রতি উদারশীলতা পোষণ করবে বলেই ইঙ্গিত বহন করছে। 

সৌদি আরবে খুব স্বল্প নারী অধিকার দেয়া হতো পূর্ববর্তী  সময়ে, যা বর্তমান সময় কালে এসে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মাধ্যমে বিপুল অধিকার দেয়া হয় সৌদি নারীদের। 

   

রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৭

সালভাদর দালি ও সময়কাল

চিত্রশিল্পের যে ইন্দ্রিয় সম্পর্ক বৃত্ত আছে তা সালভাদোর দালি র সৃস্টিকর্ম না দেখলে বোঝা যাবেনা।দালি জনপ্রিয় সুরিয়ালিস্ট, স্পেনের ক্যাটালোনিয়ায় জন্ম। গভীর কল্পনা শক্তিধর একজন চিত্র শিল্পী।১৯০৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন ,মধ্যবিত্ত পরিবারে।তার সৃস্টি গুলো আসলে সমালোচনা করার জায়গা থেকে বিচার করা যায় না, অপ্রত্যাশিত চিন্তা নিয়ে খেলা করেন এই শিল্পী ,তার দৃশ্য নান্দনিকতা ,চিন্তার গভীরতা তাকে তার সমকালীন সেরা চিত্র শিল্পী হিসাবে স্মরণীয় করে রেখেছে মানুষের কাছে ।       

প্যারানোইএক ক্রিটিক্যাল তার ছবি গুলো একপ্রকারের চিন্তার স্তরে উঁচু নিচু তরঙ্গের তৈরী করে। অলীকতা বা বাস্তব এবং অবাস্তব দৃশ্য এর মিশেলে ছবিগুলো পৃথিবীর শিল্পের ইতিহাসে জীবন্ত হয়ে আছে। চলচ্চিত্রকার হিসাবে কাজ করেছেন  এন আন্দালুসিয়ান ডগ চলচিত্রে। বিভিন্ন আর্ট ফর্মে কাজ করেছেন এই গুণী শিল্পী, সেট ডিসাইন , নাট্য মঞ্চ তৈরী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া । প্রচুর অর্থ সম্পদ অর্জন করেন তার শৈল্পিক মেধা দিয়ে, নিজ বসবাসের জন্য তৈরি করেন কেল্লা।বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন , এবং অর্থ আয়  করাটা শৈল্পিক দৃস্টিভঙ্গি থেকে দেখতেন।প্রচন্ড ভালোবাসতেন স্ত্রী গালা কে।   

ফোটোগ্রাফি,ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন, ব্যাক্তি সালভাদোর দালি তার ফ্যাশন এর কারণে সবসময় আলোচিত ছিলেন।বাস্কেট অফ ব্রেড তার অন্যতম সৃস্টি ,শেষ চিত্র কর্ম শ্যালোস টেইল। তার সমগ্র শিল্পকর্ম গুলো ভিন্ন মাত্রিকতায় তৈরি যা প্রচলিত ধারণার বাহিরে।তার সুরিয়ালিস্ট শিল্পকর্ম গুলো পৃথিবীর সেরা বলে বিবেচিত হয়। নতুন শিল্পীদের অনেক সহায়তা করতেন ,সালভাদোর।তৎকালীন মার্কিন অনেক শিল্পী তার সান্নিধ্য পেয়েছেন।নিজ খরচে তৈরী করেন তার  থিয়েটার মিউজিয়াম।      

১৯৮৯ সালে দালি ৮৪ বছর বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।তিনি ছিলেন সমগ্র আর্ট ফর্মের শিল্পী। অনেকে বলে থাকেন তিনি ফ্রয়েডীয় চিন্তা চেতনার ছিলেন। শেষের দিকে ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ এর কোয়ান্টাম থিওরি দিকে প্রভাবিত  হয়েছিলেন।    

          

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭

মোহাম্মদ বিন সালমান, ক্রাউন যুবরাজ কিংডম অফ সৌদি আরাবিয়া , দা হাউস অফ সৌদ

মোহাম্মদ বিন সালমান, হলেন বর্তমান  কিংডম অফ সৌদি আরাবিয়া এর ক্রাউন  যুবরাজ। বর্তমান আকারে বলতে গেলে সৌদি আরব ভূখণ্ডের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষমতা ধর যুবরাজ তিনি। যুবরাজের আন্তর্জাতিক আরেকটি পরিচয় তিনি সমগ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়স্ক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। তিনি হাউস অফ সৌদ এর কিং বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজেরর পুত্র।

আধুনিক সৌদি আরাবিয়ার এবং নতুন অর্থনৈতিক সৌদি আরব স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।ইসলামিক শারীয়াহ শাসনতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত, রাজতন্ত্র বিদ্যমান সৌদি, প্রথম সারির বিশ্ব ক্ষমতার অংশীদার হতে পারে।পশ্চিমা আন্তর্জাতিক বিশ্ব কিন্তু ক্রাউন প্রিন্স ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই  সাদরে গ্রহণ করে সৌদি যুবরাজ কে। এ বছরেই তিনি ক্রাউন প্রিন্স হিসাবে অভিষিক্ত হন বাদশাহ কর্তৃক  ।  

এ বছরে রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত  ফিউচার ইনভেসমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনে যুবরাজ বলেছিলেন উগ্রবাদের বিরুদ্ধে আরো কঠিন পদক্ষেপে  যাবেন। যুক্তরাস্ট্র - সৌদি আরব  সম্পর্ক  তিনি জোরালো অবস্থানে রেখেছেন, এ বছর মার্চে ওয়াশিংটন সফর করেছেন।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি যুবরাজের সাথে দেখা করেন।

ডিডব্লিউ ডটকম একটি রিপোর্টে যুবরাজের উদৃতি জানিয়েছিল , ২০৩০ এর সৌদি আরব  ভিশন  কাজ করছেন তিনি , যা তেল অর্থনীতির , চেয়ে ভিন্নতর কিছু হবে।  

তারই নতুন সৌদি আরবের  পথচলা শুরু করেছেন। সম্প্রতি মোহাম্মদ বিন সালমান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও মহলে আলোচিত হয়েছেন।আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে আছেন তিনি।  দুর্নীতি অভিযোগে রাজ্ বংশের সদস্য , সৌদি আরবের প্রভাবশালীদের  আইনের আওতায় আনা হয়। তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছেন  দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম। ক্ষমতাধর কয়েকটি পদে রদবদল হয়। সৌদি ধর্মীয় মহলের সমর্থন রয়েছে ক্রাউন যুবরাজের সাথে।মার্কিন যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় তার সমর্থন ব্যক্ত করেছেন দুর্নীতি বিরোধী অভিযান কার্যক্রমের।  

আগামীর নতুন সৌদি আরব গড়ার লক্ষে , দুর্নীতি মুক্ত সৌদি নিশ্চিত করতেই এই অভিযান। আগামীর নতুন অর্থনৈতিক সৌদি আরব গড়ার প্রত্যয় রয়েছে ক্রাউন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এর। তার নতুন পথচলার  ধরণ কেমন হবে তা  দুর্নীতি বিরোধী অভিযান থেকে কিছুটা হলেও অনুমান করা যাচ্ছে। আগামীর সৌদি আরব এর স্বপ্ন আরো একধাপ এগোলো যুবরাজের , বাকি টা হয়তো ভবিষ্যত সময় বলে দিবে সমগ্র পৃথিবীকে। 
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান


       তথ্য - দা মিরর, লস এন্জেল টাইমস , দা আটলান্টিক  অবলম্বনে           

বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৭

English poet Thomas Nash

Spring
            Thomas Nash

Spring, the sweet spring,is the years pleasant king
Then blooms each thing,then maids dance in a ring,
 Cold doth not sing, the pretty birds do sing,
Cuckoo, jug-jug, pu-we, to witta -woo!

The palm and may make country houses gay
Lambs frisk and play, the shepherds pipe all day,
And we hear ay birds tune this merry lay
Cuckoo, jug-jug, pu-we, to witta woo!

The fields breathe sweet, the daisies kiss our feet
Young lovers meet, old wives a sunning sit
In every street these tunes ours ears do greet,
Cuckoo, jug-jug, pu-we, to witta woo!



কবিতা টি জনপ্রিয় ইংলিশ কবি থমাস ন্যাশ এর। ন্যাশ একাধারে যেমন তুখোড় কবিতা লিখতেন , নাট্যকার , রম্য রচয়িতা  হিসাবে তিনি সফল ছিলেন। তার সেরা সৃস্টিকর্ম  দা আনফর্চুনেট ট্রাভেলার। কবি ১৬০১ খিষ্ট্রাব্দে পরলোক পাড়ি  দেন। 
থমাস ন্যাশ 
 

বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চীন - আমেরিকা রাজনীতি-- ট্রাম্প এবং জিংপিং বৈঠক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর  প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প চীন সফর করছেন ,  চীন সরকারের  রাষ্ট্রীয় স্বাগতম অনুষ্ঠানে যোগ দেন  মার্কিন প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাথে ছিলেন ফাস্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।  বেইজিং  এ  গ্রেট হল অফ পিপল এ   অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতি বার সকালে । 

চাইনিজ প্রেসিডেন্ট সি জিংপিং  এবং ফাস্ট  লেডি  পেং লিয়ুয়ান  স্বাগতম  অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন।  চীন - যুক্তরাস্ট্র  দুটি দেশের মধ্যে  অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্য বিষয়ক আলোচনা ও বাণিজ্য চুক্তি হতে পারে। উত্তর কোরিয়া  নিয়ে  চীনা প্রেসিডেন্ট সি জিংপিং ও মার্কিন  প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড  ট্রাম্প  আলোচনা  করতে  পারেন। চীন -আমেরিকা বিশ্ব  রাজনীতি ও অর্থনীতি এবং বাণিজ্য বিষয়ক দিক বিশ্লেষণ করলে সফরটি অত্যান্ত গুরুত্ব পূর্ণ।  






আলোকচিত্র - এএফপি , ০৯/১১/২০১৭  








তথ্য সূত্র- বিসনেস ইনসাইডার,  মেইল অনলাইন , এএফপি   

রিভিউ সুলতান আতর

মিষ্টি, পুষ্পশোভিত, কাষ্ঠ,মাস্কুলিং, সুগন্ধ দিয়ে তৈরী হয় সুলতান আতর, জনপ্রিয় আতর এটি ও বহুল ব্যবহৃত।চন্দন ও মাস্ক ও ভ্যানিলা এর একটা সংমিশ্রণ আছে এই আতর টিতে। মূলত আরাবিয়ান রেসিপি, তবে আমাদের উপমহাদেশ অন্যতম জনপ্রিয়। 
এই সুগন্ধি টি পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশে একই নামে পাওয়া।  ব্র্যান্ড ও কেয়ালিটির   উপর দাম নির্ভর করে।  জাদুকরী মোহনীয়তা  উপলব্ধি  অনুভূত হয় সুলতান আতর ব্যাবহারে। মুসলমান সম্প্রদায়  জুম্মার  দিন  সুলতান  আতর  ব্যবহার করে, ঈদের সময় অনেকেই বেছে সুলতান।  

আল হারামাইন , আল রিহাব , আলমাস পারফিউম , সহ  জনপ্রিয় সকল ব্র্যান্ড এটি বাজারে বিক্রয় করে। এ ছাড়া  নন ব্র্যান্ড , এবং ডিসাইনার পারফিউম   উভয় ফর্মে পাওয়া যায় এটি। বাংলাদেশে ১০০ থেকে ৫০০০ টাকার  মূল্যমানের সুলতান আতর বিক্রি হয়ে থাকে।ঢাকার বায়তুল মুকাররম , চক বাজার, বসুন্ধরা সিটিতে  পাওয়া যায়। দেশের   অনলাইন ই কমার্স  সাইট গুলো বিক্রয় করে থাকে।  



আল হারামাইন এর সুলতান 

সমুদ্র যদি পুরোটাই সারাব হতো ,তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো .

সমুদ্র যদি পুরোটাই সারাব হতো ,তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো .
গুনাহ না হতো , শুধু সওয়াব হতো , তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো 
কার মনে কি লুকিয়ে আছে , একমাত্র সৃস্টিকর্তাই জানেন
হৃদয় যদি বেপর্দা হতো , তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো 
নিশ্চুপ থাকার অভ্যাস ছিল আমার, যা কিছু বৎসর যাবৎ শুনে এসেছি 
আমার মুখে যদি উত্তর থাকতো , তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো 
আমি ভালো ছিলাম , তবুও তার চোখে সর্বসময় খারাপ আখ্যায়িত হতাম 
আমি যদি সত্যিকার অর্থেই নিকৃষ্ট হতাম , তো ভেবে দেখো , কত ফাসাদ হতো

সমুদ্র যদি পুরোটাই সারাব হতো ,তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো .
সমুদ্র যদি পুরোটাই সারাব হতো ,তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো .


কবিতা টি পাকিস্তানি উর্দু কোনো কবির , অসাধারণ একটা কবিতা , মর্মার্থ এবং গভীরতা বিশ্লেষণ করলে কবিতা টি বার বার পড়তে ইচ্ছে করে , আমার অত্যান্ত ভালো লাগলো তাই এর বঙ্গানুবাদ করলাম , 
সামনের দিনগুলোতে আরো কিছু কাজ করার ইচ্ছে আছে , আশা করি। .....

নিবেদক 
তানভীর আলম খান 
সমুদ্র যদি পুরোটাই সারাব হতো ,তো ভেবে দেখো কত ফাসাদ হতো .



বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

অটো হ্যান

অটো হ্যান - 
জন্ম-১৮৭৯
মৃত্যু -১৯৬৮ 

 অটো হ্যান ছিলেন জার্মান রসায়নবিদ। উদ্ভূত রেডিও কেমিস্ট্রি অন্যতম পথিকৃত। ১৯৪৪ সালে নোবেল পুরস্কার জেতেন অটো, নিউক্লিয়ার ফিস্যন উদ্ভাবন এর জন্য। সর্বকালের সেরা রসায়নবিদ হিসাবে তিনি পরিগণিত। নিউক্লিয়ার কেমিস্ট্রি জনক বলা হয় তাকে। 

জীবন্দসায় তার প্রাপ্ত পুরস্কার সমূহ - * ১৯১৫ সালে আইরন ক্রস (জার্মান )
                                                   * ১৯১৬ তে  জেনারেল হনার 
                                                   * কিংডম অফ প্রুসসিয়া এর নাইট অফ রয়াল হাউস -১৯১৭
                                                   * কিংডম অফ সাক্সনি পুরস্কার